আলোক তড়িৎ ক্রিয়া সমর্থন করে আলোর-
-
ক
কনা তত্ব
-
খ
তরঙ্গ তত্ব
-
গ
কোয়ান্টাম তত্ব
-
ঘ
তড়িচ্চুম্বকীয় তত্ব
কোয়ান্টাম তত্ব।
আলোক তড়িৎ ক্রিয়া একটি কোয়ান্টাম ঘটনা। এটি দেখায় যে আলোর উৎস থেকে নির্গত ইলেকট্রনের শক্তি আলোর ফোটনের শক্তি দ্বারা নির্ধারিত হয়।
আলোর কনা তত্ব অনুসারে, আলোর কণাগুলিকে ফোটন বলা হয়। ফোটনগুলির শক্তি তাদের কম্পাঙ্কের সাথে সমানুপাতিক।
আলোর তরঙ্গ তত্ব অনুসারে, আলো একটি তরঙ্গ। তরঙ্গের শক্তি তাদের তীব্রতার সাথে সমানুপাতিক।
আলোর তড়িচ্চুম্বকীয় তত্ব অনুসারে, আলো একটি তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গ। তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গের শক্তি তাদের তীব্রতার সাথে সমানুপাতিক।
আলোক তড়িৎ ক্রিয়া পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, আপতিত আলোর কম্পাঙ্ক একটি নির্দিষ্ট মানের কম হলে, ধাতব পৃষ্ঠ থেকে কোনও ইলেকট্রন নির্গত হয় না। এই ঘটনাটি আলোর তরঙ্গ তত্ব বা তড়িচ্চুম্বকীয় তত্ব দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায় না।
আলোক তড়িৎ ক্রিয়া পরীক্ষার ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন। তিনি দেখিয়েছেন যে, আলোর ফোটনগুলির শক্তি তাদের কম্পাঙ্কের সাথে সমানুপাতিক। ফোটনের শক্তি ধাতব পৃষ্ঠের ইলেকট্রনকে মুক্ত করতে পারে, যদি ফোটনের শক্তি ইলেকট্রনের বন্ধন শক্তির চেয়ে বেশি হয়।
সুতরাং, আলোক তড়িৎ ক্রিয়া সমর্থন করে আলোর কোয়ান্টাম তত্ব।
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করতেন যে, পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে যা জানা দরকার তার অধিকাংশই তারা জেনে ফেলেছেন। নিউটনের গতিসূত্র ও তাঁর বিশ্বজনীন মহাকর্ষ সূত্র, তড়িৎ বিজ্ঞান ও চৌম্বক বিজ্ঞানকে একত্রিত করে ম্যাক্সওয়েলের তাত্ত্বিক কাজ এবং তাপগতিবিদ্যার সূত্র এবং গতি তত্ত্ব অনেক বৈচিত্র্যময় প্রতিভাসের ব্যাখ্যায় সফলতা লাভ করেছে। বিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে দুটি তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানের জগৎকে কাঁপিয়ে দেয়। এগুলো হলো ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক প্রদত্ত কোয়ান্টাম তত্ত্ব এবং ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন প্রদত্ত আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব। দুটি ধারণাই প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিতে সুগভীর প্রভাব ফেলেছে। কয়েক দশকের সাধনায় এই তত্ত্বগুলো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান এবং ঘনীভূত পদার্থের পদার্থবিজ্ঞানের উন্নয়ন, বিকাশ ও তত্ত্বকে প্রেরণা জোগায়।
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা তাই ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে। এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালো বস্তুর বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে আরেকটি বিপ্লব আনেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব ও আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে।
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা হলো কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান, আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান, পরিসাংখ্যিক (Statistical) বলবিজ্ঞান, কঠিনাবস্থার পদার্থবিজ্ঞান (Solid state physics) প্রভৃতি।
Related Question
View All-
ক
0.968c
-
খ
c
-
গ
4c
-
ঘ
0.900c
-
ক
0
-
খ
-
গ
-
ঘ
Ec
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
1.67 গুণ
-
খ
1.25 গুণ
-
গ
0.80 গুণ
-
ঘ
0.36 গুণ
-
ক
নিবৃত্তি বিভব
-
খ
প্লাংকের ধ্রুবক
-
গ
কার্যাপেক্ষক
-
ঘ
তরঙ্গদৈর্ঘ্য
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন
